বর্তমান সময়কে বিজ্ঞাপনের স্বর্ণযুগ বলা হয়ে থাকে। টিভি দেখছেন, পত্রিকা পড়ছেন বা অনলাইনে কোনো ভিডিও বা ওয়েবসাইট ঘাটছেন যেটাই করুন না কেন যে জিনিসটা আপনাদের সামনে বার বার আসবেই সেটি হলো কোনো পণ্য বা কোম্পানির বিজ্ঞাপন।শুধু টিভি, পত্রিকা বা ইন্টারনেটই নয় রাস্তায় হাটতে গেলেও চোখে পড়ে ছোট বড় নানা ধরণের বিজ্ঞাপন। বর্তমান সময়ে এত বেশি বিজ্ঞাপনের ছড়াছড়ি যে কোথাও বিজ্ঞাপন মুক্ত কিছু দেখলে আমরা অবাক হয়ে যায়।বিজ্ঞাপন কি প্রথম থেকেই এমন ছিল বা বিজ্ঞাপনের শুরুই বা কোথা থেকে এই প্রশ্ন হয়তো আমাদের অনেকের মনেই বাসা বাঁধে।

প্রথমে বিজ্ঞাপন নিয়ে কিছু কথা:  

বিজ্ঞাপন মূলত একটি বিশেষ মার্কেটিং কৌশল যার মাধ্যমে কোন পণ্যের তথ্য বা সেবা সম্পর্কে অবগত করে গ্রাহককে। নানা ধরণের বিজ্ঞাপন আজকাল প্রচলিত হয়েছে।বিজ্ঞাপন সংস্থারা বিভিন্ন কৌশলে গ্রাহককে বাধ্য করছে তাদের বিজ্ঞাপন দেখতে। অনলাইনে কোনো ভিডিও দেখছেন হটাৎ ওই সময়ে আপনার স্ক্রিনে ভেসে উঠে কোনো পণ্য বা জরুরি কোনো জিনিসের বিজ্ঞাপন,আবার এমনও হয় যে ভিডিওর বাকি অংশ দেখতে হলে আপনাকে পুরো বিজ্ঞাপনটি দেখতেই হবে। এমন নানা কৌশল অবলম্বন করছে বিজ্ঞাপনদাতারা। বিজ্ঞাপনের প্রধান উদ্দেশ্যই হলো তাদের পণ্য বা সেবা সম্পর্কে গ্রাহককে জানিয়ে তাদের চাহিদা বাড়িয়ে দেওয়া যাতে করে বিজ্ঞাপনটি দেখে তাদের কেনার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করতে পারে।

বিজ্ঞাপন শুরুর ইতিহাস


বিজ্ঞাপনের শুরুর ইতিহাস কয়েকহাজার বছর পুরোনো। ঠিক কবে আসলে বিজ্ঞাপন প্রথম ব্যবহার হয় তা সঠিক জানা না গেলেও বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা যায় প্রাচীন মিশরীয়রা দাসদের বিক্রয় করতে পেপাইরাস এর ব্যবহার করত। ব্যাবিলনে বিক্রয়কর্ম সম্পর্কে বিভিন্ন শিলালিপি ব্যবহার করত। রোম সম্পর্কে জানা যায় তারা একটু ভিন্ন ভাবে বিজ্ঞাপন উপস্থাপন করেছিল। তারা প্রথম টুরিস্টিক বিজ্ঞাপন তৈরি করে। পম্পেইতে একটি পাথরের প্রাচীরে লিখে রাখে “পর্যটক আপনারা যদি এইখান থেকে বারো টাওয়ার পর্যন্ত যান সেখানে সারিনাসের একটি মন্দির রয়েছে, এই বার্তার মাধ্যমে আমরা আপনাদের স্বাগতম জানাচ্ছি,বাই”। সেই সময় রোমে আ্যলবাম নামে একটি মিডিয়া পরিচিতি লাভ করে। তারা রোমের বিভিন্ন প্রাচীরে গ্লাডিয়েটরের লড়াই ও নাট্য উপস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন নির্দেশনা ও আইন প্রকাশ করতো। আসলে দেয়াল বা পাথরে আকার মাধ্যমে প্রাচীন যুগে বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন ও রাজনৈতিক প্রচারের কাজ করা হতো যা এখন আমাদের দেশে সচারচর দেখতে পাই বিভিন্ন দেয়ালে। তবে এরও আগে প্রস্তরলিপি ও প্রস্তরচিত্রের ঐতিহ্যের প্রমান খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ সালে ইন্ডিয়ান রক আর্ট চিত্রকর্মের মধ্যে দেখা গেছে। খ্রিস্টপূর্ব একাদশ থেকে সপ্তম শতাব্দীর দিকে চীনের গান কবিতা নিয়ে লেখা ‘ক্লাসিক অব পোয়েট্রি’ বই এ উল্লেখ আছে সেই সময়ে বাঁশের বাঁশি বাজিয়ে মিষ্টি জাতীয় দ্রব্য বিক্রি করা হতো। প্রথমদিকে অবস্য ক্যালিগ্রাফিক সাইনবোর্ড এবং কাগজে কালি দিয়ে লেখার মাধ্যমে বিজ্ঞাপনের কাজ করা হতো।  চীনের সং সাম্রাজ্যের শাসনামলের একটি বিজ্ঞাপনের প্রিন্টিং প্লেট পাওয়া যায় যেটি তামা ও ব্রোঞ্জের পাত দিয়ে করা। প্লেটটি দিয়ে চারকোনা বিজ্ঞাপন ছাপা হতো। প্লেটটির একদিকে লেখা ‘জিনান লিউয়ের সুক্ষ সুঁচ বিপনী’ এবং অপরদিকে লেখা ‘ আমরা উন্নতমানের ইস্পাতের রোড কিনি এবং সুক্ষ সুই তৈরি করে থাকি,যেন তা ঘরে যখন তখন ব্যবহার করা যায়’। প্লেটটির উপরের দিকে একটি খরগোশের লোগো ও আছে।
biggapon
সোর্স: quoracdn.net
মধ্যযুগে ইউরোপের বেশিরভাগ লোকজন পড়তে পারতো না তাই লিখিত বিজ্ঞাপনের বিপরীতে প্রচলিত হলো বিভিন্ন প্রতীক বা ছবির মাধ্যমে বিজ্ঞাপনের প্রচলন। উদ্ধাহরণস্বরূপ সেখানকার বিভিন্ন মুচি,দর্জি বা কামারের দোকান বুঝাতে তাদের ব্যবসায়ের সাথে সম্পর্কিত কোনো চিত্র ব্যবহার করা হতো।
প্রতীকী চিত্র
আবার তারা বিভিন্ন গান বা কবিতার মাধ্যমে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করতো। এই ধরণের ধারণা পাওয়া যায় ত্রয়োদশ শতকে রচিত ‘ লেস ক্রিয়েরিয়েস দ‍্য প‍্যারি’ কবিতায়। পোস্টারে বিজ্ঞাপন প্রচলিত হওয়ার আগে তিন ধরনের বিজ্ঞাপনের প্রচলন ছিল ট্রেডমার্ক,সাইনবোর্ড ও টাউন ক্রাইয়ার। ১৪৩৮ সালে গুটেনবার্গের ছাপা খান আবিষ্কারের পর বিজ্ঞাপনের বিপুল প্রসার ঘটে। ছাপা খানাই অন্যান্য মুদ্রিত উপকরণের সাথে কাগজের ব্যবহারের ফলে সেটা গ্রাহকের কাছে পৌঁছাতে অনেক সহজ হয়। ১৪৭৬-১৪৭৭ সালের দিকে উইলিয়াম ক‍্যাক্সটন সর্বপ্রথম ইংরেজী ভাষায় লিখা Caxton Press বই বিক্রির জন্য কাগজে বিজ্ঞাপন ছাপান যা তিনি বিভিন্ন গির্জা,পার্ক ও হাতে হাতে বিলি করে বেড়ান। তার এই বিজ্ঞাপন পদ্ধতি অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করে।
biggapon6
সোর্স: instapage.com
ভেনিসেই প্রথম ১৬০০ সালের দিকে সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশ হওয়া শুরু হয়। সেখান থেকেই পশ্চিমা দেশগুলোতে সাপ্তাহিক প্রকাশনার ধারণাটি ছড়িয়ে পড়ে এবং বাড়তে থাকে জনপ্রিয়তার জন্যে পত্রিকাকে বিজ্ঞাপনের প্রচার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হতে থাকে। এইভাবে বিজ্ঞাপন প্রচার বর্তমান সময়েও অব্যাহত আছে। বিজ্ঞাপনের আরেকটি জনবহুল মাধ্যম বিলবোর্ড। বিলবোর্ড গুলো সচরাচর বড়ো হওয়ায় গ্রাহকের দৃষ্টিযে খুব সহজেই আসা যায়। ১৮৩৫ সালে প্রথম জারেড বেল নামে একজন আমেরিকান পেইন্টার প্রথম বিলবোর্ড আঁকেন। বিলবোর্ডটি একটি সার্কাসের বিজ্ঞাপনের স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছিল।
biggapon5
সোর্স: instapage.com

বিজ্ঞাপনী সংস্থা


১৮৪২ সালে ভলনি বি পামার সর্বপ্রথম ফিলাডেলফিয়াই বিজ্ঞাপন সংস্থা খোলেন। তার সংস্থা মূলত পত্রিকার কাছ থেকে বিজ্ঞাপন দেওয়ার জায়গা কিনে তা বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে বিক্রি করতো। ১৮৬৪ সালে ফ্রান্সিস আইয়ার নিউওয়ার্কে এন ডব্লিউ আইয়ার এন্ড সান নামে বিজ্ঞাপনী সংস্থা প্রতিষ্ঠা করে। তার সংস্থা বিজ্ঞাপনদাতা যেমন চান তেমনভাবেই বিজ্ঞাপন তৈরি করতো যার ফলে সে সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় সংস্থা হিসেবে নির্বাচিত হয় তার সংস্থাটি। এমনকি মার্কিন সেনাবাহিনীর জন্যও জনপ্রিয় কিছু স্লোগান তৈরি করেছিল এন ডব্লিউ আইয়ার এন্ড সান।

বাংলায় ও বাংলাদেশে বিজ্ঞাপন


বিজ্ঞাপনের সবচেয়ে প্রাচীনমাধ্যম হলো সংবাদপত্র। আগে সংবাদপত্রের প্রথম পাতা পুরোটা জুড়েই থাকতো বিজ্ঞাপন এখন অবশ্য সেটার পরিবর্তন হয়েছে। প্রথম বাংলা ভাষায় বিজ্ঞাপন ছাপা হয় ১৭৭৮ সালে ‘Calcutta Chronicle’ নামক ইংরেজি পত্রিকায়। বিজ্ঞাপনের বিষয় ছিল বাংলা ব্যকরণ। বিজ্ঞাপনটি লিখেছিলেন পঞ্চানন কর্মকার নামে এক ব্যক্তি।
সোর্স: Indian advertising 1780 to 1950
সময় পরিবর্তন হয়েছে ,পরিবর্তন এসেছে বিজ্ঞাপনেও এখন প্রতিটি বিজ্ঞাপনের সাথে বিজ্ঞাপন সংশ্লিষ্ট কোনো ছবি যুক্ত করে দেওয়া হয়। ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দে ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত দৈনিক বাংলা সংবাদপত্র ‘ সংবাদ প্রভাকরের’ প্রথম পৃষ্ঠায় বিজ্ঞাপন শিরোনাম যুক্ত দুটি বিজ্ঞাপন ছাপা হয়। পূর্ব বাংলার ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে সাময়িক পত্র রংপুর দিক প্রকাশ পত্রিকায় প্রথম পৃষ্ঠায় প্রায় পুরোটাই জুড়ে ছিল বিজ্ঞাপন। ব্রিটিশ সরকার আমাদের দেশে চায়ের ব্যবসা শুরু করলে তারা চায়ের প্রচারণা করার দরকার অনুভব করে ফলে চা ব্যবসা করা প্রতিষ্ঠানগুলো চায়ের প্রস্তুতপ্রণালী থেকে শুরু করে চায়ের উপকারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে পোস্টার বিজ্ঞাপন শুরু করে। ব্যাপক বিজ্ঞাপনী প্রচারণার ফলে চা আমাদের দেশে অনেক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যা এখন বিদ্যমান আছে। ‘অসম চা কোম্পানি’ আনুষ্ঠানিক ভাবে চায়ের বিজ্ঞাপন প্রচার করে আমাদের দেশে।
সোর্স: Indian advertising 1780 to 1950
বিজ্ঞাপন যেহুতু আয়ের প্রধান উৎস ছিল সংবাদপত্রের তাই সংবাদপত্রের শুরু থেকেই বিজ্ঞাপনকে অনেক গুরুত্ব দেওয়া হতো এবং সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপনের হাত ধরেই পরবর্তীতে রেডিও ও টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন জড়িত হয়। দেশের বড় বড় নামি দামি কবি সাহিত্যিক রাও সে সময় বিজ্ঞাপনের সাথে জড়িত ছিল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক বিশিষ্ট কালির প্রশংসা করে লিখেছিলেন এর কালিমা বিদেশী কালির চেয়ে কোন অংশে কম নয়। রবীন্দ্রনাথের এই লিখাটি বিজ্ঞাপন আকারে পরে অনেক প্রচার করা হয়।  এইভাবে আস্তে আস্তে বিজ্ঞাপন আমাদের দেশেও প্রভাব বিস্তার করে যার পরিণত রূপ আজকের বর্তমান।

রেডিওতে বিজ্ঞাপন


টেলিভিশন আসার আগে রেডিও মাধ্যম অনেক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। আর যেখানেই জপ্রিয়তা সেখানেই বিজ্ঞাপনের হস্তক্ষেপ। বেশিরভাগ রেকর্ড অনুসারে প্রথম রেডিও বিজ্ঞাপনটি প্রচারিত হয় ১৯২২ সালে আমেরিকাতে ডাবলুইএএফ রেডিও স্টেশনে।
biggapon14রেডিওর প্রথম বিজ্ঞাপনটি ছিল মাত্র ১০ মিনিটের এবং তা ছিল কুইনস বরো করপোরেশনের তৈরি এপার্টমেন্টের সব রকম সুবিধা নিয়ে। এই সংস্থাটির এই বিজ্ঞাপনের জন্য $৫০ ডলার খরচ হয়। আস্তে আস্তে রেডিও প্রতিটা অনুষ্ঠানের ফাঁকে বিজ্ঞাপন প্রচার শুরু হয় এমনকি অনুষ্ঠান গুলোও স্পনসর করা শুরু করে বিভিন্ন কোম্পানি।

টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন


রেডিওর পরে বিজ্ঞাপনের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হয়ে ওঠে টেলিভিশন। বাংলাদেশে প্রথম ১৯৬৪ সালে টেলিভিশন ভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রচার হয় তখনকার একমাত্র টিভি চ্যানেল পিটিভি তে যা বর্তমানে বিটিভি নামে পরিচিত। তবে পৃথিবীর প্রথম টেলিভিশন বিজ্ঞাপন প্রচারিত হয় ১৯৪১ সালে। বিজ্ঞাপনটি বুলভা ওয়াচ কোম্পানির সৌজন্যে প্রচারিত হয়। বিজ্ঞাপনটি দশ সেকেন্ড লম্বা ছিল এবং এটি তৈরিতে $৯ ডলার খরচ হয়েছিল।বিজ্ঞাপনটি নিউওয়ার্কের প্রায় ৪০০০ লোক দেখেছিল।
biggapon4
সোর্স: https://www.thevintagenews.com
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় টেলিভিশন ও বিজ্ঞাপন একটু থমকে গিয়েছিল। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরে টেলিভিশন ব্যবহারের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। দর্শকের সংখ্যা বৃদ্ধিতে কোম্পানি গুলো স্পন্সারড প্রোগ্রাম শুরু করে এবং অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাদের বিজ্ঞাপন দেখানো শুরু করে। ১৯৪৬ সালে প্রথম একটি অনুষ্ঠান একটি ব্র্যান্ড স্পনসর করে,অনুষ্ঠানটি এনবিসি নামক চ্যানেলে প্রচারিত হতো এবং শো টির নাম ছিল জিওগ্রাফিকালী স্পিকিং। ব্রান্ডটি ছিল নিউওয়ার্কের একটি ঔষধ কম্পানি।কিন্তু শো টি মাত্র ছয় সপ্তাহ প্রচারিত হয়েছিল তবে এর পর থেকে স্পনসর অনুষ্ঠানের সংখ্যা দিন দিন বাড়তেই থাকে দর্শকের চাহিদার জন্যে। “হাডি ডুডি” এবং “দ‍্য লোন রেঞ্জার” নামক অনুষ্ঠানগুলো লোকেরা প্রতিদিন দেখতে থাকে ফলে কোকাকোলা,কভার গার্ল এবং মার্লবোরো এর মত বড় বড় ব্র্যান্ড গুলি অনুষ্ঠানগুলো স্পনসর করতে থাকে। এমনকি কোম্পানির নামেও অনুষ্ঠান তৈরি হতে থাকে যেমন কলগেট কমেডি আওয়ার নামে একটি অনুষ্ঠান সে সময় ব্যাপক সাড়া তোলে।
সেই সময় খাবার থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় সব কিছুর বিজ্ঞাপন প্রচার শুরু হয় এবং তা সর্বত্র ব্যাপক ভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করে বিজ্ঞাপনের এই নতুন ধারাকে।
biggapon3
সোর্স: http://homeoftvnostalgia.wixsite.com

ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপ


বিজ্ঞাপনে নতুন মাত্রা যোগ করে অনলাইন ভিত্তিক বিজ্ঞাপন। বর্তমানে ইন্টারনেট ছাড়া আমাদের জীবন থেমে যাবে বললেও ভুল হবেনা। আর এই ইন্টারনেট বিজ্ঞাপনে নিয়ে আসে নতুন এক অধ্যায়। আপনি আপনার প্রয়োজনে অনলাইনে যেখানেই ঢুকুন না কেন বিজ্ঞাপন আপনার সঙ্গী হবেই। প্রত্যেকটি ওয়েবসাইটে আপনি অবশ্যই বিজ্ঞাপন দেখতে পাবেন এমনকি সোশ্যাল মিডিয়াতেও আপনার নিউজ ফিড ব্রাউজ করতে গেলে চোখে পড়বে বিজ্ঞাপন। ২৭ অক্টোবর ১৯৯৪ একটি ওয়েব সাইটে প্রথম ব্যানার এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়। এটি এন্ড টি বিজ্ঞাপনটির জন্য $৩০০০০ ডলার দেয় ওয়েবসাইটকে তিন মাসের চুক্তির ভিত্তিতে। তাদের আরেকটি চুক্তি ছিল বিজ্ঞাপনটি ওয়েবসাইটের একেবারে শীর্ষে থাকতে হবে। বিজ্ঞাপনটির ক্লিক রেট ছিল ৪৪%। এইভাবে যাত্রা শুরু হয় অনলাইন ভিত্তিক বিজ্ঞাপনের।ইন্টারনেট ব্রাউজিং অথবা টিভি যে কোন অনুষ্ঠান দেখা একটা দিনও হয়তো বিজ্ঞাপন দেখা ছাড়া কাটানো সভব নয়। যত দিন যাচ্ছে বাড়ছে কোম্পানি ও তাদের প্রতিযোগিতা আর বাড়ছে বিজ্ঞাপনের সংখ্যাও। দিনের সাথে তাল মিলিয়ে বিজ্ঞাপনে আসছে অনেক নতুন নতুন ধারা।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here