লিখা : লামীম

ক্যাপ্টেন ম্যাশ, জন্ম ৫ অক্টোবর ১৯৮৩। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলা নড়াইলে তার জন্ম। ছোট বেলায় ফুটবল আর ব্যাডমিন্টন খেলা পছুন্দের হলেও তারণ্যে যোগ দেয় ক্রিকেটে আর সেখান থেকে ম্যাশ হয়ে ওঠা।

বিশেষত ব্যাটিংয়ে হলেও এখন বলার হিসেবে বেশি খ্যাত। সেজন্য তাকে “নড়াইল” এক্সপ্রেস নামে অভিহিত করা হয়। আর নিজের শহরের মানুষের কাছে “প্রিন্স অব হার্টস”। ভিক্টোরিয়া কলেজে পড়ার সময় সুমনা হক সুমির সাথে পরিচয় হয় এবং তার সাথে বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হন ২০০৬ সালে।

ক্রিকেটকে এতোটাই ভালোবাসতেন যে ২০০৩-২০০৪ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে পড়ার সুযোগ পেলেও তা ছেড়ে যোগ দেন ক্রিকেটে। মাশরাফি বাংলাদেশের সফল পেস বলার। আক্রমণাত্মক, গতিময় বলিং দিয়ে অনূর্ধ-১৯ দলে থাকতেই তিনি ঐ দলের অস্থায়ী বলিং কোচ আডি রবার্টসের নজর কেড়েছিলেন। রবার্টের পরামর্শে মর্তুজাকে এ দলে নেয়া হয়। ৮ নভেম্বর ২০০১ এ জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে টেস্ট ক্রিকেটের মাধ্যমে তার অভিষেক হয়। অভিষেকে ১০৬ রানে ৪ উইকেট নেয়। গ্রান্ট ফ্লাওয়ার ছিলেন তার প্রথম শিকার। এই বিরল কৃতিত্বের অধিকারী ৩১ তম খেলোয়াড় এবং ১৮৯৯ সালের পর তৃতীয়।

এরপরে একের পর এক কৃতিত্ব আসে তার জীবনে। ২০০৯ সালের জুন মাসে অধিনায়কত্ব পান বাইকপ্রেমী মাশরাফি। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে প্রথম ম্যাচেই হাটুতে আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে পুনরায় অধিনায়কের দায়িত্ব কাধে নেন ম্যাশ। হাটুর অপারেশন তার জীবনে বাধা হিয়ে দাড়াতে পারেনি। পরপর ১১ বার অস্ত্রোপচারের পরেও খেলে গেছেন ক্রিকেটকে ভালোবেসে।

২০২০ সালের ৬ মার্চ ওয়ানডে খেলার নেতৃত্ব দিয়ে ৫০ তম খেলার জয় লাভের মধ্য দিয়ে হাজারো মানুষের হৃদয় কাদিয়ে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব ছাড়েন ক্রিকেট প্রেমী ম্যাশ। এটি হয়তো তার শেষ খেলা হবে। যদি তাই হয়ে তবে বলা যায়, জিম্বাবুয়ে শুরু জিম্বাবুয়ে শেষ ক্যাপ্টেন ম্যাশের খেলোয়াড় জীবন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here