কবি: আব্রেসাম সোহান


প্রতিদিনই দেখি মানুষটাকে,
মানুষটা বড় চুপচাপ।
আমিও কেন জানি চুপ থাকি,
চুপচাপেও কথা হয়ে যায়।
মানুষটা খেতে বসেও খায় না ঠিক করে,
বেঁচে থাকবার জন্যেই হয়তো খেতে হই বলেই খায়।
মানুষটাকে আমি প্রতিনিয়ত লক্ষ্য করি,
কিন্তু লক্ষ্যহীনতায় প্রকাশ করি বরাবর।
কখনো কখনো মানুষটা আমাকে যেভাবে ফোন করে ডেকে উঠে,
থমকে যায় কিছুটা সময়,
টের পেতেও সময় লাগে যে ওপাশে মানুষটা ফোন ধরে আছে।
যখন মানুষটাকে ধরি শরীরটা কেঁপে উঠে,
বার্ধক্য জুড়ে বসেছে।
শরীরে চামড়ার ভাজে অস্পষ্ট ছাপ।
রাতটা নির্ঘুমই কেটে যায় আমার,
পর্দা সরিয়ে দেখে নিশ্চুপ হয়ে সরে পড়ি।
মাঝে মাঝে বুকটা টনটন করে উঠে ,
মানুষটা বসে আছে জানালার দিকে মুখ করে,
পাশে গিয়ে বসি হইতো,
হইতো আমাকে বুঝাবার জন্যেই শুয়ে পড়ে সে নিরবে,
বুঝিয়ে দিতে চাই আমি ভালো আছি।
সে ভালো থাকাটা আমিও যেমন বুঝি, সেও বুঝে।
অভিনয়টা ভালোই চলে দুজনের।
একটা অজানা অযাচিৎ ভয় খুব ভারী হয়ে লেপ্টে থাকে।
তবুও সে কাউকে দেখানো হয়না আমার,
নির্লিপ্ত মূখোসে ঢেকে থাকি।
তবুও আমি ভয় পেয়ে যায়,
অস্থির লাগতে থাকে,
তবুও সহজ হয়ে সাধারণ থাকতে হয়।
মানুষটার একটা নাম আছে-
অস্তিত্ব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here