৭। Antelope Canyon


এ ক‍্যানিয়নটি পানির ঘর্ষণের ফলে সৃষ্টি হয়েছে।পানির অনেক প্রবাহের কারণে এর গভীরতা অনেক বেশী।বর্ষার সময় এখানে নিয়মিত বন্যা হয়ে থাকে আর এই ক‍্যানিয়নটি আসলে একটি স্লট ক‍্যানিয়ন। স্থানীয়রা বলেন,যেখানে পাথরের ভিতর দিয়ে পানি চলে যায় এটা সেই জায়গা।পানির ঘর্ষণের কারণে এ ক‍্যানিয়নের দেয়ালগুলোতে মসৃন ঢেউ এর মত আকৃতির সৃষ্টি হয়েছে। এই ক‍্যানিয়নের দেয়ালগুলো তৈরি হয়েছে স্ট্যান্ডস্টোন দিয়ে।সূর্যের আলো যখন এই কমলা রঙের দেয়ালে পড়ে তখন আলোর প্রতিফলনে এখানে আলো ছায়ার একটি আলাদা আবহ তৈরি হয়,যা উপভোগ করার জন্য দূর দুরন্ত থেকে পর্যটকরা এসে ভীড় জমায়।কিন্তু এত কিছুর পরেও এখানে এক প্রকার ভীতিও রয়েছে কারণ এই ক‍্যানিয়নটির গভীরতা প্রায় ১১ কিলোমিটার।এই গভীরতায় হটাৎ হটাৎ আকস্মিক বন্যা চলে আসে।আর এ বন্যার কারনে ভিতরে পর্যটক থাকলে তারা পড়ে যায় বিপদের মধ্যে।এ ধরণের বন্যার কোনো পূর্বাভাস ও পাওয়া যায় না।তাই একে ভয়ংকর সুন্দর ক‍্যানিয়ন হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়।

৮। Chocolate Hills


এই হিলগুলো নিয়ে ফিলিপাইনের মানুষের মাঝে একটি মিথ এর প্রচলন রয়েছে।গল্পটি এ রকম অনেকটা যে, অনেক কাল আগে এ এলাকায় একটা দৈত্য বাস করতো। দৈত্যের সাথে ছিল তার সঙ্গিনী হটাৎ একদিন তার সঙ্গিনীর মৃত্যু হয়, সঙ্গিনীর মৃত্যুতে দৈত্য অনেক কষ্ট পায়।তখন সে অবিরাম কাঁদতে থাকে । তার চোখের পানি দিয়ে তৈরি হয়েছিল এই হিলগুলো। আবার অনেকে বলে সঙ্গিনী না তার শত্রু আর এক দৈত্য ছিল।তারা একজন অন্যজনের খাবারে বিষ মিশিয়ে মেরে ফেলে।এই মৃত দৈত্যের দেহ থেকে এই হিলগুলোর সৃষ্টি হয়েছে। চুনাপাথর দ্বারা তৈরি হয়েছে এ পাহাড়গুলো। এর উপরে অনেক ঘাস রয়েছে যা শুষ্ক সময়ে চকোলেটের রং ধারন করে। ফিলিপাইন এর বোহোল প্রদেশে এ পাহাড়ের অবস্থান। ৫০ কিলোমিটার এলাকায় প্রায় ১৭৭৬ টি পাহাড় রয়েছে এখানে।ভূতাত্বিকভাবে বিবেচনা করতে গেলে দেখা যায় এই পাহাড়গুলোর চুনাপাথরে অনেক জলজ প্রাণীর ফসিল দেখা যায়। তাই বলাই যায় টেকটোনিক প্লেট এর কারণে সাগরের তলদেশ থেকে এ পাহাড় উঠে এসেছে। কারন এখানে পাওয়া গিয়েছে কোরাল ও অ্যালগির মত সামুদ্রিক জীবাস্ম। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই এলাকা ঘুরে আসতে পারেন আপনিও।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here