১। The Giant Crystal Cave 


এটি দৈত্যাকার ক্রিস্টাল নাইকা খনির সাথে সংযুক্ত। এর গভীরতা ৩০০ মিটার।মেক্সিকান ভাষায় এ গুহাটিকে বলা হয় cueva de los cristales।প্রাকৃতিকভাবে খুঁজে পাওয়া এটিই একমাত্র সর্ববৃহৎ ক্রিস্টাল।এর কোনো কোনোটির উচ্যতা ১৫ মিটার, আর ওজন ৫০,০০০ কেজিরও বেশি।গলিত লাভা/ম্যাগমা থেকে ৫ কিলোমিটার উঁচুতে একটি প্রাচীন খাচের উপরে গুহাটি অবস্থিত।

জিপসামের গাথুনিতে বেড়ে উঠেছে এই সর্ববৃহৎ ক্রিস্টালটি। গলিত লাভার উপর ফুটন্ত ভূ-গর্ভস্থ পানিতে সালফারের ঘনত্ব বেশি থাকে এর মধ্যে অক্সিজেন মিশে সালফেট আয়ন তৈরি হয়।৫ লাখ বছর ধরে এই আয়ন থেকে জিপসাম দানা বাঁধতে বাঁধতে ক্রিস্টালে পরিণত হয়েছে।আর এই ক্রিস্টালগুলো আশেপাশে ছড়িয়ে না পড়ে গুহার ভিতরে উপরের দিকে বর্ধিত হয়েছে যা দেখতে অনেকটা গীর্জার মত।এই ক্রিস্টালের ভিতরে অনেক অতি ক্ষুদ্রাকার জীবাণু পাওয়া গেছে, এই জীবাণুগুলো এই তাপমাত্রায় জীবন ধারণে সক্ষম এবং পরে ৫০,০০০ বছর ধরে এই সালফারের মধ্যে জীবন ধারণ করে আসছে।

 

২। Great Blue Hole 


অদ্ভুত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লিলাভূমি এই গ্রেট ব্লু হোল।বেলিজ থেকে ৭৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই বিস্ময়কর হোল।এই গর্তটি আকারগতো দিক থেকে গোলাকার বলা চলে।গভীরতার থেকে এর প্রশস্ততা বেশি।এর গভীরতা ৩৯১ ফুট হলেও এর প্রশস্ততা ৯৪৫ ফুট এর মত।এটি পাললিক শিলা দারা স্তরে স্তরে জমা হয়ে তৈরি হয়েছে।

এটি তৈরি হতে ১৫ থেকে ২০ হাজার বছরের মত সময় লেগেছে বলে ধারণা করা হয়, এই হোলটি পানি দ্বারা পূর্ণ প্রায়,যার কারণে এর ভিতর গভীর অন্ধকার,এটিকে মাছের অভয়ারণ্য বলা হয়ে থাকে।এর স্বচ্ছ ও পরিষ্কার জলরাসিতে সামুদ্রিক মাছের প্রচুর আনাগোনা রয়েছে।পৃথিবীর জলরাশির মধ্যে এই ব্লু হোলকে অন্যতম স্কুবা ডাইভিং স্পট হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here